কে লিখেছেন এই চিত্রনাট্য!

খুব যে উচ্চাঙ্গের ফুটবল হয়েছে, এমন নয়। ‘ক্লাসিক’ ম্যাচের তালিকায় গত পরশু রাতের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল? প্রশ্নই ওঠে না। তবে এই বিচার তো শুধু খেলার নন্দনতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে। কিন্তু একটা খেলা কি শুধু খেলোয়াড়ি উত্কর্ষের কারণেই স্মরণীয় হয়! নাটকীয়তার কারণেও তো হতে পারে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে চেলসি-বায়ার্ন মিউনিখ এক শতে এক শ পাবে। বাংলাদেশে যখন রাত প্রায় ভোরের কোলে ঢলে পড়েছে, মাঠে চলছে বিপরীতমুখী আবেগের প্রদর্শনী। চেলসির সবাই ভেসে যাচ্ছেন আনন্দস্রোতে। তবে দিদিয়ের দ্রগবার মতো আর কেউ নয়। কী রেখে কী করবেন যেন বুঝে উঠতে পারছেন না আইভরিয়ান স্ট্রাইকার।

যা চেয়েছিলাম...

স্টেডিয়ামের এক কোণে হাজার তিন-চার বার্সেলোনা সমর্থকের দিকে তাকিয়ে একটু পর পর কী বলে চিত্কার করছিল মাদ্রিদিস্তারা? না, সেটি আর জানাই গেল না। আশপাশে যাকেই জিজ্ঞেস করি, একটু বিব্রত হাসিতে একই উত্তর পাই, ‘নো ইংলিশো, স্প্যানিশো।’ অর্থাত্ ইংরেজি বলতে পারেন না, স্প্যানিশ পারেন। দ্বিতীয়টা না বললেও চলত। স্প্যানিশ যে বলতে পারেন, সেটি তো এস্তাদিও সান্টিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে ঢোকার পর থেকেই টের পাচ্ছিলাম। আগে থেকেই চেয়ারে রেখে দেওয়া রিয়াল মাদ্রিদের সাদা পতাকা দুলিয়ে একটু পরপরই ‘হালা মাদ্রিদ’ বলে চিত্কারে কান ফেটে যাওয়ার জোগাড়। খেলা শুরু হওয়ার পর সেই চিত্কার ভাষা বদলাল অনেকবার। ভাষা তো বুঝি না, তবে বেশির ভাগ কোরাসই যে রিয়ালকে উদ্দীপিত করতে, তা অনুমান করতে সমস্যা হলো না।

Add
Add
Add