জোয়েল গার্নার, মাইকেল হোল্ডিং, কলিন ক্রফট, অ্যান্ডি রবার্টসের পাশে দাঁড়ালে অনেকটা ‘বামন’ মনে হতো তাঁকে। অথচ মাত্র ৫ ফুট ১০ ইঞ্চির সেই বোলার একে একে সবাইকে ছাড়িয়ে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেলেন নিজেকে, যেখানে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে দেখেই শেষ হয়ে যায় অনেকের ক্যারিয়ার।

১৯৯১ সালের জুনে ওভালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ টেস্টটি খেলে যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছেড়ে দিলেন, ম্যালকম মার্শালের নামের পাশে তখন ৩৭৬ উইকেট। গার্নার-হোল্ডিং-রবার্টসরাও দারুণ বোলার ছিলেন, সন্দেহ নেই। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো ফাস্ট বোলার যে ৩০০ উইকেট পেতে পারেন, ম্যালকম মার্শালের আগে কেউ তা প্রমাণ করতে পারেননি। পরে তাঁর পথ ধরেই এগিয়ে এসেছেন কোর্টনি ওয়ালশ-কার্টলি অ্যামব্রোস। এক সময় ছাড়িয়েও গেছেন তাঁকে।

সত্যিই কি ছাড়িয়ে গেছেন? উইকেট-সংখ্যায় ছাড়িয়েছেন, তাতে তো কোনো সন্দেহই নেই। কিন্তু শুধু সংখ্যা দিয়ে কি সব বিচার হয়? ওয়েস্ট ইন্ডিজের বেশির ভাগ মানুষ তো এখনও মনে করেন, ওই দ্বীপপুঞ্জ থেকে আসা এত সব ‘গ্রেট’ ফাস্ট বোলারদের মধ্যে ‘গ্রেটেস্ট’ এই ম্যালকম ডেনজিল মার্শাল, যিনি মাত্র ৪১ বছর বয়সে ক্রিকেট-উইকেট এসব জাগতিক ব্যাপার-স্যাপার পেছনে ফেলে চলে গেছেন অজানা এক গন্তব্যে। 

বাতাসে উড়তে থাকা স্টাম্প দেখতে বড় ভালো লাগত মার্শালের। অথচ জীবনের ইনিংসে মাত্রই সেট হওয়ার পর নিজেই ‘বোল্ড’ হয়ে গেলেন ক্যান্সার নামের এক কালব্যাধিতে। মাস পাঁচেক আগে অস্ত্রোপচারের পর একটুও বুঝতে পারেননি যে, সময়টা এত কাছে। উদ্বিগ্ন আত্মীয় পরিজন, বন্ধুবান্ধব, শুভানুধ্যায়ীদের বরং উল্টো সাহস দিতে বলেছিলেন, ‘সারা জীবনই আমি পজিটিভ মানুষ ছিলাম, এখনো আছি। যেসব ব্যাপারে আমার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, সেসব নিয়ে আমি কখনোই দুশ্চিন্তা করি না।‘

২৩ বছর আগে এই দিনেই সব দুশ্চিন্তার উর্ধ্বে চলে গেছেন মার্শাল। সেদিন থেকে শুয়ে আছেন ব্রিজটাউন এয়ারপোর্টের খুব কাছেই, বলতে গেলে উল্টোদিকের রাস্তার পাশে নির্জন এক সমাধিতে। এয়ারপোর্টে বিমান ওঠা-নামার আওয়াজ শোনেন; যখন সব সুনসান, তখন দুরন্ত বাতাসে উড়ে যাওয়া ঝরা পাতার মর্মর ধ্বনি। তাঁর বোলিংয়ে যেমন পাতা ঝরার মতোই টুপটাপ ঝরে পড়ত উইকেট। 

দিনের পর দিন ব্যাটসম্যানদের বুকে কাঁপন তুলেছে এই দৃশ্য।

ম্যালকম মার্শালের কখনো ইন্টারভিউ করা হয়নি। দেখাই তো হয়নি, ইন্টারভিউ করার প্রশ্ন আসে কোত্থেকে? দুটোই হওয়ার কথা ছিল। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে যাওয়ার আগে মার্শালের ইন্টারভিউ করব বলে ভালো করে প্রস্তুতি নিয়ে গেছি। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচই ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে। সেই বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের কোচ ম্যালকম মার্শাল, দেখা তো হবেই। মার্শালের ইন্টারভিউ তো করবই, মনে আরেকটা উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাও। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের ম্যানেজার তখন ক্লাইভ লয়েড, গর্ডন গ্রিনিজ বাংলাদেশের কোচ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্বর্ণযুগের তিন মহারথীকে যদি বলে-কয়ে একসঙ্গে বসাতে পারি, উফ্, ভাবতেই রোমাঞ্চ লাগছিল।

কিন্তু হায়, মার্শালের সঙ্গে দেখাই তো হলো না। ডাবলিনে বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের সময় ম্যালকম মার্শাল যে শুয়ে আছেন বার্মিংহামের এক হাসপাতালে।

তলপেটের ব্যথাটা ভোগাচ্ছিল অনেক দিন ধরেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটকে টেনে তোলার দায়িত্ব নিয়ে কোচ হয়েছেন, ভেবেছিলেন ব্যথাটা নেটে বেশি বল করার কারণেই। বিশ্বকাপের শুরুতেই ব্যথাটা বেশি বেড়ে গেলে অনেকটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের পারফরম্যান্স ম্যানেজার ড. রুবি ওয়েবস্টারের পীড়াপীড়িতেই স্ক্যান করান। সর্বনাশা খবরটা শোনেন তখনই। কোলন থেকে শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে ক্যান্সার। জরুরিভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করাতে হবে। 

তাই বলে হাতে যে এত কম সময়, তা কল্পনা করতে পারেননি কেউই। মার্শালের বোলিং রান আপ ছিল রীতিমতো স্প্রিন্ট, মৃত্যুও তাঁর দিকে ছুটে এসেছিল স্প্রিন্ট দিয়েই।

৮১ টেস্টে মাত্র ২০.৯৪ গড়ে ৩৭৬ উইকেট, ১৩৬ ওয়ানডেতে উইকেট ১৫৭–আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শুরুটা কিন্তু এর পূর্বাভাস দেয়নি। ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে ব্রিজটাউনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঘরোয়া ফার্স্ট ক্লাস প্রতিযোগিতা শেল শিল্ডের শেষ ম্যাচে জ্যামাইকার বিপক্ষে স্বাগতিক বারবাডোজের হয়ে অভিষেক। সেই ম্যাচে ৭৭ রানে ৬ উইকেটেই একরকম পোলভল্ট দিয়ে ভারত সফরের ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে।

এরপর থেকে মার্শালের বোলিং-কীর্তি হয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের মতোই নিয়মিত এক ব্যাপার। এর মধ্যেও আলাদা করে রাখতে হয় ইংল্যান্ডে পরপর দুটি ট্যুরকে।

সম্বল মাত্র একটি ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা, তার ওপর ভারতের অমন ঊষর উইকেট। তিন টেস্টে উইকেট পেলেন মাত্র ৩টি। দেশে ফিরে শেল শিল্ডে ব্যাটসম্যানদের নাভিশ্বাস তুলে অবশ্য ঠিকই ঢুকে গেলেন ১৯৭৯ বিশ্বকাপের দলে। সেই বিশ্বকাপে কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি, তবে মার্শালের ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া ঘটনাটা তখনই। কাউন্টি ক্রিকেটের দল হ্যাম্পশায়ার চুক্তি করে ফেলল তাঁর সঙ্গে। স্থাপিত হলো মার্শালের মার্শাল হয়ে ওঠার ভিত্তিপ্রস্তরও।

কাউন্টি ক্রিকেটে আলোড়ন ফেলে দিতে একদমই সময় নেননি। তারপরও পরের তিন বছরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৫টি ট্যুরে গিয়ে সুযোগ পেয়েছেন মাত্র ১২টি টেস্টে। ক্যারিবীয় ক্রিকেটের আদি পেস কোয়ার্টেট রবার্টস-হোল্ডিং-ক্রফট-গার্নার যে তখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। ১৯৮২ সালে কাউন্টিতে সর্বোচ্চ ১৩৪ উইকেট এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় রেবেল ট্যুরে গিয়ে কলিন ক্রফটের নিষিদ্ধ হওয়া, এই দুটো মিলে যাওয়ায় শেষ হলো সেই আক্ষেপ। সেই যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে নিয়মিত হলেন, এরপর আর এ নিয়ে কখনো প্রশ্ন ওঠেনি।

যে ভারতে গিয়ে অমন বিবর্ণ শুরু, নিজেকে চেনানোর শুরুও সেই ভারতের বিপক্ষেই। ১৯৮২-৮৩তে দেশের মাটিতে ২৬.৫৭ গড়ে ২১ উইকেট। পরের মৌসুমে ভারতে গিয়েও রীতিমতো আতঙ্ক ছড়ালেন ব্যাটসম্যানদের মনে। এবার উইকেট আরও বেশি, গড় আরও কম (১৮.৮১ গড়ে ৩৩)।

এরপর থেকে মার্শালের বোলিং-কীর্তি হয়ে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের মতোই নিয়মিত এক ব্যাপার। এর মধ্যেও আলাদা করে রাখতে হয় ইংল্যান্ডে পরপর দুটি ট্যুরকে। ১৯৮৪ সালে এর প্রথমটিতে ১৮.২০ গড়ে ২৪ উইকেট। লিডসের হেডিংলিতে যা করেছিলেন, সেটিকে অবশ্য শুধু রান-উইকেটের সীমায় বাঁধা যায় না। টেস্টের শুরুর দিকেই গালিতে ফিল্ডিং করতে গিয়ে দুই জায়গায় ভেঙে গেছে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুল। হাতে প্লাস্টার উঠেছে, ডাক্তার বলে দিয়েছেন, অন্তত দশ দিন মাঠে নামার কথা মাথায় না আনতে।

ভাঙা বুড়ো আঙুল বাঁহাতে ব্যাট ধরতে দিচ্ছে না। এক হাতেই তাই ব্যাটিং করছেন ম্যালকম মার্শাল। ১৯৮৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হেডিংলি টেস্টে। ছবি: গেটি ইমেজেস

টেস্টের তৃতীয় দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসে নবম উইকেট যখন পড়ল, ল্যারি গোমস অপরাজিত ৯৬ রানে। আহা রে, বেচারা, এত ভালো খেলেও সেঞ্চুরিটা পেল না! দর্শক গ্যালারিতে এই আফসোস শুরু হতে না হতেই সবাই অবিশ্বাসে চোখ কচলে দেখলেন, ব্যাটিং করতে নামছেন মার্শাল। বাঁহাতে ব্যাট ধরার অবস্থা নেই। এক হাতে ব্যাটিং করেই গোমসের সেঞ্চুরি পাওয়া নিশ্চিত করলেন, টেনিসের ফোরহ্যান্ডের মতো শটে নিজেও বাউন্ডারি মারলেন একটি। ব্যাটিংয়ে না হয় গোমসের জন্য নামতে বাধ্য হয়েছেন, বোলিং তো আর করতে পারবেন না। ইনজুরিটা বোলিং হ্যান্ডে নয় তো কি, যেমন গায়ের জোরে বোলিং করেন, ওই ঝাঁকিতেই তো বাঁহাতের ভাঙা আঙুলের দফারফা হয়ে যাবে। প্লাস্টার করা হাত নিয়ে মার্শাল শুধু বোলিংই করলেন না, ৫৩ রানে নিলেন ৭ উইকেট। তখন তাঁর ক্যারিয়ার-সেরা বোলিং।

চার বছর পরে আরেকটি ইংল্যান্ড সফরে আরও উজ্জ্বল। সেবার যা করেছিলেন, অনেক ক্রিকেটার স্বপ্নেও তার নাগাল পায় না। সিরিজের প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসে ৩২ রানে ৬ ও ২৩ রানে ১ উইকেট ছিল নিছকই ওয়ার্ম আপ। দ্বিতীয় টেস্টের দুই ইনিংসে ৩২ রানে ৬ ও ৬০ রানে ৪ উইকেট।তৃতীয়টির দুই ইনিংসে বোলিং ফিগার ২/১৯ ও ৭/২২। প্রথম তিন টেস্টেই ২৬ উইকেট। একটু ক্লান্তি ঘিরে ধরে থাকবে, অথবা এত সহজে উইকেট পেয়ে পেয়ে বিরক্ত, হয়তো এ কারণেই পরের দুই টেস্টে 'মাত্র' ৯ উইকেট।

উইকেটপিছু ১২.৬৫ রান খরচে ৫ টেস্টে ৩৫ উইকেট! প্রায় সব ক্রিকেট লেখকের লেখায় তখন কমন থাকছে ‘মার্শাল আর্ট’ কথাটা। এই 'মার্শাল আর্ট'-এর কারণে সেই সিরিজে চার-চার জনকে অধিনায়ক বানিয়েও হোয়াইটওয়াশ থেকে বাঁচতে পারেনি ইংল্যান্ড।

সংখ্যায় ওয়ালশ-অ্যামব্রোস তাঁকে ছাড়িয়ে গেছেন বলেছিলাম, তবে তা তো শুধুই উইকেট-সংখ্যায়। বোলিং অ্যাভারেজ, স্ট্রাইক রেট, ম্যাচে ১০ উইকেট–এসবে তো মার্শালই এগিয়ে। তাঁর ২০.৯৪ বোলিং অ্যাভারেজ টেস্টে ২০০ বা এর চেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন, এমন বোলারদের মধ্যে সেরা। মার্শালকে যাঁরা বোলিং করতে দেখেছেন, খেলেছেন তাঁর সঙ্গে; তাঁরা অবশ্য আপনাকে জানিয়ে দেবেন, এমন দুর্দান্ত রেকর্ডেও ম্যালকম মার্শালকে ঠিকমতো ধরা যায় না। কলিন ক্রফট আমাকে দারুণ একটা বলেছিলেন। মার্শালের বোলিং দেখে তাঁর মনে হতো, ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম পেস কোয়ার্টেট রবার্টস-গার্নার-হোল্ডিং-ক্রফটের বোলিংয়ের সেরা সবকিছু তিনি এক প্যাকেজে দেখছেন। 

ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান পেসার সম্মেলন। সবার বাঁয়ে ম্যালকম মার্শাল, ডানে ইয়ান বিশপ। মাঝখানে এজরা মোজলি, কোর্টনি ওয়ালশ ও প্যাট্রিক প্যাটারসন। ছবি: গেটি ইমেজেস

মার্শালের ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় তাঁকে সতীর্থ হিসেবে পাওয়া ইয়ান বিশপকে ইন্টারভিউ করতে গিয়ে তাঁর দেখা সেরা পাঁচ ফাস্ট বোলার বেছে নিতে বলেছিলাম। 'আমি এক-দুই করে বলতে পারব না' জানিয়ে দেওয়ার পরও অবধারিতভাবেই প্রথম নামটি 'ম্যালকম'। কী বলেছিলেন, তা হুবহু তুলে দিতে ইচ্ছা করছে: আমার দেখা সবচেয়ে কমপ্লিট বোলার। দুর্দান্ত পেস, অবিশ্বাস্য কন্ট্রোল; তবে বাকি সবার চেয়ে আলাদা হয়ে ছিলেন বুদ্ধিমত্তায়। মুহূর্তের মধ্যে উইকেট আর ব্যাটসম্যানকে বুঝে নিয়ে সেই অনুযায়ী বল করতে পারতেন। এমন অনেক হয়েছে, মিড অফ ফিল্ডারকে একটু বাঁয়ে সরে দাঁড়াতে বললেন, আর পরের বলেই সেখানে ক্যাচ এলো।'

মিড অফ ফিল্ডারের যে উদাহরণটা দিলেন, সেই মিড অফ ফিল্ডারের নাম ইয়ান বিশপ। অস্ট্রেলিয়ায় খেলা হচ্ছে, মার্শাল বিশপকে একটু বাঁয়ে সরে দাঁড়াতে বললেন। কারণ ব্যাটসম্যানের টেকনিক দেখে তাঁর মনে হচ্ছে, ক্যাচটা ওখানে উঠবে। পরের বলেই ব্যাটসম্যান ক্যাচ তুলে দিলেন বিশপের হাতে! বিশপ এতটাই অবাক হয়েছিলেন যে, হতচকিত হয়ে ক্যাচটা যে ফেলে দেননি, এটাই বেশি।

ক্রফট আর বিশপের কথা শুধু বললাম। চাইলে এমন আরও অনেক বোলারের নাম বলতে পারি, যাঁদের কাছে ম্যালকম মার্শাল ফাস্ট বোলিংয়ের এক ডিপার্টমেন্ট স্টোরের অন্য নাম। ডিপার্টমেন্ট স্টোর মানে যা চাইবেন, তা-ই আছে।

বেঁচে থাকলে এখনও তো চলে যাওয়ার বয়স হয়েছে বলা যেত না। ৬৩ পূর্ণ করে আগামীকাল পা দিতেন ৬৪-তে। 'শুভ জন্মদিন, ম্যাকো' বললে ব্রিজটাউনের ওই নির্জন সমাধিক্ষেত্রে শুয়ে থাকা ম্যালকম মার্শাল কি তা শুনতে পাবেন?