এখন যদি বলি, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আমি বলেছিলাম, সাকিব আল হাসান এবার দারুণ কিছু করবেন; জানি, অনেকেই তা বিশ্বাস করবেন না। তবে প্রমাণ চাইলে সেটি দিতে পারব। অনেককেই তো কথাটা বলেছি। কেউ আমার দাবি সম্পর্কে সংশয় প্রকাশ করলে তাঁরা সাক্ষ্য দেবেন বলেই আশা করি

এবার একটা স্বীকারোক্তির সময় হয়েছে। বিশ্বকাপে সাকিব খুব ভালো করবেন জানতাম, কিন্তু সেই ‘খুব ভালো’ যে ‘এত ভালো’—এটা কল্পনাও করিনি। বিশ্বকাপের মাঝপথে গিয়ে সবচেয়ে বেশি রান, ছয় ইনিংসের পাঁচটিতেই পঞ্চাশোর্ধ্ব স্কোর, যার দুটি আবার সেঞ্চুরি। প্রথম পাঁচ ইনিংসে ৫ উইকেট নেওয়ার পর ষষ্ঠ ইনিংসেই ৫ উইকেটে এই বিশ্বকাপের সেরা বোলিং, টেলিভিশনের পর্দায় আইসিসির ফ্যান্টাসি গেম ভেসে উঠলেই সবার ওপরে জ্বলজ্বলে সাকিব আল হাসানের নাম—কল্পনা কীভাবে এর নাগাল পাবে!

আরেকটি যে কীর্তি, সেটিই বরং সাকিবের অলরাউন্ডার সত্তার সত্যিকার জয়গান। এক বিশ্বকাপে আর কারও ৪০০ রান আর ১০ উইকেটের যুগলবন্দী নেই।